Posts

আমজনের সফলতার পেছনে পিৎজা

Image
সবচেয়ে বড় ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাজন। এই আমাজনই প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেফ বেজোসকে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিতে পরিণত করেছে। কীভাবে আমাজন এত সফল? উত্তরটা হলো পিৎজা! আমাজনের শুরুর দিকে জেফ বেজোস একটি নিয়ম চালু করেন। নাম দেন ‘টু পিৎজা রুল’ বা দুই পিৎজা তত্ত্ব। মূল বিষয় হলো আমাজনের প্রতিটি অভ্যন্তরীণ দল এতটাই ছোট হতে হবে, যেন দুটি পিৎজার মাধ্যমে গোটা দলের উদরপূর্তি করানো যায়। জেফ বেজোসের এই নিয়ম চালুর পেছনের উদ্দেশ্য খাবারের খরচ কমানো নয়। বেজোস মূলত দুটি উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন-কার্যকারিতা ও কর্মপরিধি। প্রথমত, ছোট দল যেকোনো কাজ সম্পাদনে অনেক কম সময় নিয়ে থাকে। একটি ছোট দল পরিচালনা করাও অনেক সহজ এবং খুব সহজেই দলের সদস্যদের যেকোনো নির্দেশনা ও তথ্য সম্পর্কে হালনাগাদ রাখা যায়। এতে দলের সদস্যরাও কাজে বেশি সময় ধরে মনোনিবেশ করতে পারেন। তবে বেজোসের দ্বিতীয় উদ্দেশ্যটিই আমাজনের সফলতার পেছনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হয়। কারণ, ছোট ছোট দল তৈরি করার পেছনে বেজোসের দ্বিতীয় উদ্দেশ্যটি ছিল যেন সব দলের সদস্য একসঙ্গে বসে কাজ করতে পারেন এবং তাঁদের বড় বড় লক্ষ্য অর্জন...

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের নতুন তারিখ ৭ মে

Image
দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১-এর উৎক্ষেপণ আবার পিছিয়ে গেছে। স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণের নতুন তারিখ ঠিক করা হয়েছে আগামী ৭ মে। এত দিন এটি উৎক্ষেপণ তারিখ ছিল ৪ মে। আজ বুধবার রাজধানীর রমনায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কার্যালয়ে স্যাটেলাইট নিয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এ তথ্য জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট: সম্ভাবনার মহাকাশ’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ। টিআরএনবি সভাপতি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে খাত-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমাদের কাছে যতটুকু তথ্য আছে, ৪ তারিখ উৎক্ষেপণের তারিখ তা ঠিক থাকছে না, আগামী ৭ মে সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করা হয়েছে।’ অনুষ্ঠানে স্যাটেলাইটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে উপস্থাপনা করেন টিআরএনবি সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার দে।

বাড়ি তৈরি হবে থ্রিডি প্রিন্টারে

Image
কম্পিউটারে তৈরি ত্রিমাত্রিক নকশা বাস্তবে মুদ্রণ করা যায় থ্রিডি প্রিন্টারে। তেমন প্রিন্টারেই এখন থেকে তৈরি হবে বসতবাড়ি। ‘আইকন’ নামের যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের নতুন এক ব্যবসায় উদ্যোগ এ প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক কাজ শুরু করছে। বসতবাড়ির নকশা নামিয়ে বা নিজে তৈরি করে তা বাসযোগ্য বাড়ির আকারে ত্রিমাত্রিক মুদ্রণ করে দেয় প্রতিষ্ঠানটি। উন্নত প্রযুক্তি ও বড় আকৃতির এ ত্রিমাত্রিক মুদ্রণযন্ত্রের নাম ‘ভলকান’। ত্রিমাত্রিক মুদ্রণের নানা ব্যবহার ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। জটিল ব্যবহারগুলোর মধ্যে একটি হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা মানবদেহের বিভিন্ন হাড় ত্রিমাত্রিক মুদ্রণে তৈরি করে ব্যবহারও করছেন। এ ছাড়া বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে ত্রিমাত্রিক মুদ্রণে তৈরি গাড়ির উৎপাদন এমনকি ঘরবাড়ির আসবাবও। আর সে কারণেই গোটা বাসযোগ্য ঘরটাই ত্রিমাত্রিক মুদ্রণে তৈরির কথা ভাবছে আইকন। গত মার্চ মাসে অস্টিনে ৩৫০ বর্গফুটের একটি নমুনা বাড়িও তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘সাধারণ একতলা বাড়ি তৈরির অর্ধেক সময় ও দামে ত্রিমাত্রিক মুদ্রণে বাড়ি তৈরি করা যাবে।’ এমন একটা বাড়ি তৈরিতে ভলকান সময় নেবে ৪৮ ঘণ্টার কম, খরচ পড়বে ১০ হাজার...